শনি ধাইয়া

4,999.00

0 People watching this product now!
SKU: JMTT-04 Category:
Description

শনির ধাইয়া ও তার প্রতিকার

যেমন শনির সাড়েসাতিতে আক্রান্ত জাতক / জাতিকা গৃহক্লেশ, ধনহানি, রোগ, ক্ষতি ইত্যাদি অনেকরকম ঝামেলায় পড়েন তেমনি এই সব রকমেরই বিপদ শনির ধাইয়াতেও হয়। শনি গোচরবশত ভ্রমণ করতে করতে জন্মরাশি থেকে চতুর্থ বা অষ্টম ঘরে যায় তবে জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া বর্তাবে। এবার আমরা দেখবো জন্মরাশি থেকে গোচরবশত শনি চতুর্থ ঘরে এলে প্রথম ধাইয়া এবং অষ্টম ঘরে এলে দ্বিতীয় ধাইয়ার স্থিতি কেমন হবে।

মেষরাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি কর্কট ও বৃশ্চিক রাশিতে প্রবেশ করলে মেষ রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবী হয়। জাতকের উপর প্রথম ধাইয়া বা দ্বিতীয় ধাইয়া কোনটি কার্যকরী হবে তা দেখে প্রতিকারের ব্যবস্থা করতে হবে।

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – যদি মেষ রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির প্রথম ধাইয়া প্রভাবিত হয়  তাহলে তাঁরা নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন –

১. কাককে রুটি খাওয়ান।

২. সাপকে দুধ খাওয়ান।

৩. হনুমানজিকে সিঁদুর নিবেদন করুন।

৪. ঘোড়ার খুরের আংটি বানিয়ে শনিবারে ধারণ করুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা -দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন –

১. হনুমানজিকে সিঁদুর নিবেদন করুন এবং রোজ সকালে হনূমান চালিশা পাঠ করুন।

২. কালো কলাইয়ের ডাল বহমান জলে ভাসিয়ে দিন।

৩. মন্দিরে গিয়ে বাদাম বিতরণ করুন।

৪. অন্ধ ব্যক্তির সেবা করুন।

বৃষ রাশির জাতকের ধাইয়া:

গোচরবশত শনি সিংহ ও ধনু রাশিতে প্রবেশ করলে ওই জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবী হয়।

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা– বৃষ রাশির জাতকের উপর প্রথম ধাইয়া প্রভাব বিস্তার করলে নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন –

১. নৌকার পেরেকের আংটি বানিয়ে ধারণ করুন।

২. কুয়ায় কাঁচা দুধ ঢালুন।

৩. কালো বস্ত্র পরবেন না।

৪. মাছ, মাংস না খেয়ে নিরামিষ খাবেন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন –

১. বাড়িতে কালো কুকুর পুষুন।

২. বহমান জলে বাদাম ভাসিয়ে দিন।

৩. খালি পায়ে মন্দিরে পূজা দিন।

৪. পাকা ঘর বানাবেন না।

মিথুন রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি কন্যা ও মকর রাশিতে প্রবেশ করলে মিথুন রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবী হয়। এর প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা–  মিথুন রাশির জাতকের উপর প্রথম ধাইয়ার প্রভাব হলে নিম্নরূপ ব্যবস্থা নিতে হবে।

১. প্রতিদিন সকালে স্নান করে হনূমান চালিশা পাঠ করবেন।

২. মাছকে আটার গুলি খাওয়াবেন।

৩. শিবলিঙ্গে দুধ ঢালবেন এবং মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করবেন।

৪. কালো বস্ত্র পরবেন না

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন –

১. অন্ধ ব্যক্তির সেবা করবেন।

২. কালো কলাইয়ের ডাল নদীতে প্রবাহিত করুন।

৩. মন্দিরে বাদাম প্রসাদ হিসাবে বিতরণ করুন।

৪. মাছ, মাংস খাবেন না এবং মদ্যপান করবেন না।

কর্কট রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি তুলা ও কুম্ভ রাশিতে প্রবেশ করলে কর্কট রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবী হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিতে হবে তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা

১. ঘোড়ার খুরের আংটি ধারণ করুন।

২. মাছ, মাংস খাবেন না এবং মদ্যপান করবেন না।

৩. কাককে রুটি খাওয়ান।

৪. শিবলিঙ্গে কাঁচা দুধ ঢালুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  কর্কট রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রভাব চললে নিম্নের ব্যবস্থাদি নিতে হবে।

১. রুপার একটি চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

২. দিন-মজুরের সেবা করুন।

৩. পাথরের উপরে বসে দুধ দিয়ে স্নান করুন।

৪. হনূমান চালিশা পাঠ করুন

সিংহ রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি বৃশ্চিক ও মীন রাশিতে প্রবেশ করলে সিংহ রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবী হয়। প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিতে হবে তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  যদি সিংহ রাশির জাতকের উপর শনির প্রথম ধাইয়ার প্রভাব পড়ে তবে নিম্নলিখিত প্রতিকারের ব্যবস্থা করলে তা ফলদায়ক হবে।

১. হনুমানজিকে সিঁদুর নিবেদন করুন।

২. প্রতিদিন হনূমান চালিশা পাঠ করুন।

৩. শনিবারে শনি যন্ত্রম ধারণ করুন।

৪. কাঁচা দুধ কুয়ায় ঢালুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা নিতে হবে।

১. মন্দিরে বাদাম প্রসাদ হিসাবে বিতরণ করবেন।

২. কালো কলাইয়ের ডাল কোনো পবিত্র নদীর জলে ভাসিয়ে দেবেন।

৩. অন্ধব্যক্তির সেবা করে তাঁর আশীর্বাদ নেবেন।

কন্যা রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি যখন ধনু ও মেষ রাশিতে প্রবেশ করলে কন্যা রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবী হয়। শনি জন্মরাশির চতুর্থ ঘরে এলে প্রথম ধাইয়া এবং অষ্টম ঘরে এলে দ্বিতীয় ধাইয়া হবে। প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিতে হবে তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  প্রথম ধাইয়ার জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

১. প্রতি শনিবার শনির ব্রত পালন করুন।

২. নদী বা পুকুর পাড়ে গিয়ে মাছকে আটার গুলি খাওয়ান।

৩. হনুমানজির মূর্তিতে সিঁদুরের টিকা লাগান।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য নিম্নের ব্যবস্থাদি  নিতে হবে।

১. গনেশ ঠাকুরের উপাসনা করুন।

২. একটি রুপার চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

৩. কালো কলাইয়ের ডালের দানা নদীতে প্রবাহিত করুন।

তুলা রাশির জাতকের ধাইয়া

গোচরবশত শনি মকর ও বৃষ রাশিতে প্রবেশ করলে তুলা রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া বলবৎ হয়। এর অশুভ প্রভাবের প্রতিকারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো। সঠিভাবে পালন করলে তা লাভদায়ক হতে পারে –

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  প্রথম ধাইয়ার প্রতিকারের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

১. প্রবাহমান জলে মদ ঢালুন।

২. কালো ঘোড়ার খুরের আংটি ধারণ করুন।

৩. কাঁচা দুধ কুয়ায় ঢালুন।

৪. নিজের ব্যবহার সঠিক রাখুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  তুলারাশির জাতক জাতিকারা যদি শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার ফলভোগ করে তা প্রতিকারের জন্য নিম্নের ব্যবস্থাদি  নিতে হবে –

১. হনুমানজির মূর্তিতে সিঁদুরের টিকা লাগান।

২. কালো কলাইয়ের ডালের দানা নদীতে প্রবাহিত করুন।

৩. প্রতি শনিবারে শনির ব্রত পালন করুন ও সিদ্ধ শনি যন্ত্রম ধারণ করুন।

৪. রোজ সকালে হনূমান চালিশা পাঠ করুন।

বৃশ্চিক রাশির জাতকের ধাইয়া

গোচরবশত শনি কুম্ভ ও মিথুন রাশিতে প্রবেশ করলে বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবশালী হয়।  জাতকের উপর প্রথম ও দ্বিতীয় ধাইয়া প্রভাব হলে প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিতে হবে তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – 

১. নৌকার পেরেকের আংটি বানিয়ে ধারণ করুন।

২. প্রবাহমান জলে মদ ঢালুন।

৩. মাছ, মাংস খাবেন না, মদ্যপান করবেন না।

৪. হনুমানজির মূর্তিতে সিঁদুরের টিকা লাগান এবং পূজা করুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  বৃশ্চিক রাশির জাতক জাতিকারা যদি শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার ফলভোগ করে তা প্রতিকারের জন্য নিম্নের ব্যবস্থাদি  নিতে হবে –

১. পাথরের উপর বসে দুধ মেশানো জলে প্রতি শনিবার স্নান করলে শনির প্রকোপ কমবে।

২. একটি রুপার চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

৩. বহমান জলে বাদাম ভাসিয়ে দিন।

৪. মাছ, মাংস খাবেন না এবং মদ্যপান করবেন না।

ধনু রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি মীন ও কর্কট রাশিতে প্রবেশ করলে ধনু রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবশালী হয়।  জাতকের উপর প্রথম ও দ্বিতীয় ধাইয়ার  অশুভ প্রভাব হলে প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিতে হবে তার বিবরণ নিচে দেওয়া হলো-

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা –  শনির প্রথম ধাইয়ার  ধনু রাশির জাতক জাতিকার উপর প্রভাবিত হলে প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিলে সুফল পাওয়া যেতে পারে তা নিম্নে বর্ণিত হলো।

১. কাককে নিজের খাওয়ারের কিছু অংশ খাওয়ান। তাতে শনির প্রকোপ কম হতে পারে।

২. মাছকে আটার গুলি বানিয়ে খাওয়ান।

৩. কুয়ায় কাঁচা দুধ ঢালুন।

৪. কালো বস্ত্র পরবেন না।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – ধনু রাশির জাতক জাতিকারা যদি শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার ফলভোগ করে তা প্রতিকারের জন্য নিম্নের ব্যবস্থাদি  নিতে হবে –

১. চার কিলো কালো কলাইয়ের ডাল প্রবাহমান জলে প্রবাহিত করুন।।

২. হনুমানজিকে সিঁদুর দান করুন।

৩. রুপার একটি চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

মকর  রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি মেষ ও সিংহ রাশিতে প্রবেশ করলে মকর রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবশালী হয়।  জাতকের উপর অশুভ প্রভাব হলে নিচের প্রতিকার ও টোটকা অনুযায়ী  কাজ করলে সুফল পাওয়া যেতে পারে –

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা

১. কালো ঘোড়ার খুরের আংটি ধারণ করুন।।

২. হনুমানজির মূর্তিতে সিঁদুর দান করুন।

৩. প্রবাহমান জলে এক বোতল মদ ঢালুন।

৪. কুয়ায় কাঁচা দুধ ঢালুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – মকর রাশির জাতক জাতিকারা যদি শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার ফলভোগ করে তা প্রতিকারের জন্য নিম্নের ব্যবস্থাদি  নিতে হবে –

১. মন্দিরে বাদাম প্রসাদ হিসাবে বিতরণ করবেন।

২. রুপার একটি চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

৩. অন্ধব্যক্তির সেবা করে তাঁর আশীর্বাদ নেবেন।

৪. পাথরের উপরে বসে দুধ দিয়ে স্নান করুন। এর ফলে শনির অশুভ প্রভাব হ্রাস পাবে।

কুম্ভ  রাশির জাতকের ধাইয়া :

গোচরবশত শনি বৃষ ও কন্যা রাশিতে প্রবেশ করলে কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবশালী হয়।

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা  শনির প্রথম ধাইয়ায় কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকার উপর প্রভাবিত হলে প্রতিকারের জন্য কি ব্যবস্থা নিলে সুফল পাওয়া যেতে পারে তা নিম্নে বর্ণিত হলো-

১. মাছ, মাংস খাবেন না এবং মদ্যপান করবেন না।

২. সাপকে দুধ খাওয়ান।

৩. কালো বস্ত্র পরবেন না।

৪. কাককে রুটি খাওয়ান।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা – কুম্ভ রাশির জাতক জাতিকারা যদি শনির দ্বিতীয় ধাইয়ার ফলভোগ করে তা প্রতিকারের জন্য নিম্নের ব্যবস্থাদি  নিতে হবে –

১. কোনো পবিত্র জলধারায় বাদাম প্রবাহিত করুন।

২. স্নান করার সময় মাটিতে পা না ঠেকে।

৩. রুপার একটি চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

  1. শনিবারে শনি যন্ত্রম ধারণ করুন।

মীন রাশির জাতকের ধাইয়া :

মীন রাশির জাতক জাতিকার জন্মকুণ্ডলীতে গোচরবশত শনি মিথুন ও তুলা  রাশিতে প্রবেশ করলে ওই রাশির জাতক জাতিকার উপর শনির ধাইয়া প্রভাবশালী হয়।  এর প্রভাব থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কিছু প্রতিকারের ব্যবস্থা ও টোটকার কথা নিম্নে বর্ণিত হলো যেগুলি পালন করলে শুভফল  লাভ হতে পারে।

প্রথম ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা

১. রোজ সকালে হনূমান চালিশা পাঠ করুন।।

২. শনিবার বা প্রতিদিন আটার গুলি তৈরি করে মাছকে খাওয়ান।

৩. সবুজ রঙের বস্ত্র পরুন।

৪. প্রবাহমান জলে মদ ঢালুন।

দ্বিতীয় ধাইয়ার জন্য প্রতিকারের ব্যবস্থা

১. কালো কলাইয়ের ডাল নদীতে প্রবাহিত করুন। শনিবারে এটা করলে ভালো ফল  পাওয়া যায়।

২. রুপার একটি চৌকো টুকরো সর্বদা নিজের কাছে রাখুন।

৩. শনিবারে শনির ব্রত করুন এবং শনি যন্ত্রম ধারণ করুন।

============================================

শনির সাড়ে সাতি কাকে বলে ?

শনি গ্রহ আবর্তিত হতে হতে যখন জাতক জাতিকার দ্বাদশ ঘরে প্রবেশ করে তখনি শনির সাড়ে সাতির সূচনা হয়। ইহাই সাড়ে সাতির প্রথম পর্যায়। এরপর শনি জাতক জাতিকার রাশিতে এবং পরবর্তী রাশিতে প্রবেশ করে যা সাড়ে সাতির দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায় এবং প্রতিটি সাড়ে সাতির সময়সীমা প্রায় দুই বছর ছয় মাস করে।  এইভাবে উক্ত তিনটি স্থানের সাড়ে সাতি সম্পন্ন হতে সাড়ে সাত বছর অতিক্রান্ত হয়। ইহাকে শনির সাড়ে সাতি বলে অভিহিত করা হয়। কোনো জাতক জাতিকার জীবনে তিনটির বেশি সাড়ে সাতি ভোগ করতে হয় না।

শনি গ্রহের প্রভাব কি ?

শনি গ্রহ পরিভ্রমণকালে আপনার রাশির চতুর্থে অথবা অষ্টমে অবস্থান করলে শনির প্রভাবে প্রভাবিত হয় এইরূপ পাঁচটি রাশিতে শনির সাড়ে সাতির প্রভাব থাকে।

সাড়ে সাতি ও প্রভাবের দুর্দশার থেকে মুক্তির উপায় –

আপনি যদি গ্রহের দশা, প্রভাব অথবা সাড়ে সাতির ফলে পীড়িত হন তবে ওই অশুভ প্রভাব হ্রাস করার জন্য নিম্নে কয়েকটা পন্থা দেওয়া হলো।

১. যদি প্রমাণিত প্রতিকারের প্রয়োজন হয় তবে সিদ্ধ গুরুদ্বারা ” সাড়ে সাতি ভোজপত্র যন্ত্রম” ধারণে অবশ্যই শুভ ফল লাভ হয়ে থাকে।

২. গৃহে পারদ শিবলিঙ্গ এবং শনি যন্ত্রমের স্থাপন ও প্রতিষ্ঠা করুন।

৩. আপনি ব্যবসায়ী হলে শনির সাড়ে সাতি অথবা শনির ধাইয়ার প্রভাবের শান্তি করতে নিত্য শিব লিঙ্গের পূজা করুন।

৪. দক্ষিণাবর্তী শঙ্খে ( ছোট বা বড় ) জলপূর্ণ করে প্রতিদিন সকালে তিনবার গণ্ডূষ করুন।

৫. সর্বদা দেবাদিদেব মহাদেবের অতিপ্রিয় একমুখী রুদ্রাক্ষ ধারণ করুন। একমুখী রুদ্রাক্ষের অভাবে অবশ্যই রুদ্রাক্ষের মালা ধারণ করুন।

৬. শনি যন্ত্রম, লকেট, শনি মুদ্রিকা, আংটি অবশ্যই ধারণ করুন। ধারণের পূর্বে উহা শোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠা অবশ্যই করিয়ে নেবেন।

৭. জপ সংখ্যা ১৯০০০, জপ – ” ওং প্রাং প্রিং প্রৌং সঃ শোনিশ্চরায় নমঃ ” এই মন্ত্রটি জপ করুন অথবা অভিজ্ঞ জ্ঞানী পন্ডিতের সাহায্যে করিয়ে নিন।

৮. সম্ভব হলে প্রতিদিন শিবশংকরের মন্দির দর্শন এবং শিবলিঙ্গে বিল্বপত্র সহ দুধ ঢালুন। মন্ত্র :

” ওঁম নমঃ শিবায় ” – এই মন্ত্র জপ করতে পারেন। রোগ নিবারনার্থে শিব শঙ্করের মহা মৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র জপ করুন। “ওঁ ত্র্যম্বকম্ যজামহে সুগন্ধিম পুষ্টিবর্ধনম্। উর্বারুকমিব বন্ধনান্ মৃত্যোর্মুক্ষীয় মাঽমৃতাৎ।”

৯. শনির  রত্নমালা শোধন এবং প্রাণ প্রতিষ্ঠা করে শুভ মুহূর্তক্ষণ বিচার করে নিয়ে ধারণ করুন। যদি সম্ভব না হয় তাহলে শ্বেতবড়ালার মূল ধারণ করতে পারেন।

১০. অশ্বখুরের আংটি ধারণ করুন। ইহা ধারণে শনির অশুভ প্রভাব হ্রাস পায়। কিন্তু বর্তমানে ইহা দুর্লভ, তাই কেনার সময় লক্ষ্য রাখবেন কারণ আসল অশ্বখুরের নামে সাধারণ লোহার টুকরো বিক্রি করা এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীর ধ্যান জ্ঞান হয়ে গেছে।

১১. রামায়ণের সুন্দর কাণ্ডের পঠন- শনির অশুভ প্রভাব হ্রাস করার জন্য রামায়ণের সুন্দর কান্ড সম্পূর্ণ শুদ্ধাচারে চল্লিশ দিন পাঠ করুন।

১২. শাস্ত্রে উল্লেখিত বস্তু সমূহের দান- প্রতি শনিবার কালো দ্রব্য যথাসাধ্য দান করতে পারেন। প্রতি শনিবার সম্ভব না হলে মাসের দ্বিতীয় বা তৃতীয় শনিবার কৃষ্ণবস্ত্র  ( নতুন অথবা পুরানো ), খোসাসুদ্ধ বিউলি, তৈল, তাম্র, লৌহ, ছোলা ইত্যাদি দান করুন।

১৩. শনির প্রকোপ অবদমন করতে বা শান্ত করতে শনিবারে রুটিকে তেলে মাখিয়ে কালো কুকুরকে খাওয়ান এবং বেসন ও ছোলা দিয়ে রান্না করা খাদ্য দুঃখী দরিদ্রকে পরিবেশন করুন।

Reviews (0)

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “শনি ধাইয়া”

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

শিপিং এবং ডেলিভারি