Blog
ভূতাবেশ দূরীকরণ মন্ত্র
আধুনিক বৈজ্ঞানিকগণ বা আজকের বিজ্ঞানমনস্ক বা যুক্তিবাদী মানুষগণ ভূত-প্রেতাদির অস্তিত্ব স্বীকার করেন না। কিন্তু আমরা যারা এই ভূতাবেশ দূরীকরণ তন্ত্র বিষয় নিয়ে চর্চা করি, বাস্তবিক অর্থে ভূত-প্রেতাদির উপদ্রবের প্রমাণ সারা বিশ্বের প্রায় সকল অংশের মানুষের মধ্যে প্রত্যক্ষ করে থাকি।
বিশ্বের প্রায় সকল ধর্মগ্রন্থেই ভূত-প্রেতাদির উল্লেখ আছে। যেমন – হিন্দু ধর্মে ভূত, প্রেত, ডাকিনি, পিশাচ, শাকিনী ইত্যাদির কথা বলা হয়েছে। সেইরকম মুসলিম মতে জীন, খাইস প্রভৃতির বিদ্যমানতা মানা হয়েছে।
এই ভূত-প্রেতাদি কোনো না কোনো কারণে যখন কোনো ব্যক্তি বিশেষকে জড়িয়ে ফেলে, তখন তার দেহে বিভিন্ন বিকৃত লক্ষণ দেখা যায়। এবং সেই লক্ষণসমূহ ঔষধাদির দ্বারা দূর করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় মন্ত্রাদির প্রয়োগে তাদের আরোগ্য লাভ হয়।
সেই রকমই একটি ভূতাবেশ দূরীকরণ মন্ত্র নিচে বর্ণিত করা হলো
মন্ত্র
ওঁ নমো ভগবতে ভূতেশ্বরায়,
কিল কিল তরবায়,
রুদ্র দংষ্ট্রা করালায় বক্ত্রায়,
ত্রিনয়ন ভীষণায়,
ধগধগীত পিশাঙ্গ ললাট নেত্রাম,
তীব্র কোপানলায় মিত তেজসে,
পাশ-শূল-খড়্গ-ডমরুক,
ধনুর্বাণ-মুদগর-ভূপদণ্ড ত্রাসমুদ্রা,
বেগ দশ দোর্দণ্ড মণ্ডিতায়,
কপিল জটা জুট কূটার্দ্ধ চন্দ্র ধারিণে,
ভস্মিরাগ রঞ্জিত বিগ্রহায়,
উগ্র ফণপতি ঘটা টোপ মণ্ডিত কণ্ঠদেশায়ে,
জয় ভূত দামরয় আত্মরূপং,
দর্শে নিরতে নিরতে সরসর চল চল,
পাশেন বন্ধ হুংকারেণ ত্রাশয় ত্রাশয়,
বজ্র দণ্ডেন হন হন নিশিতি খঙ্গেন,
ছিন্ন ছিন্ন শূলাগ্রে ভিন্ন ভিন্ন,
মুদ্গরেণ চূর্ণয় চূর্ণয় সর্ব গ্রহানাং,
আবেশয় আবেশয়।
ব্যবহার বিধি
কার্য্যনিপুণ ব্যক্তি একান্তিক মনে উপরিলিখিত মন্ত্রটি দৈনিক ২৮ বার পাঠ করলে, সূর্যোদয়ের অন্ধকার নাশের ন্যায়—
সূতিকাগার হইতে এবং বালক শরীর হইতে ডাকিনি, প্রেত, ভূতাদি দূরে প্রস্থান করে।
এবং “ওঁ হ্রীং” ইত্যাদি মন্ত্র উচ্চারণ করিয়া ঐ সর্ষপ দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তিকে আঘাত করিলে সর্বপ্রকার ভূতাদি দূরে প্রস্থান করে।